ads

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন মহপরিকল্পনা জাহাঙ্গীরের

মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম

বিশেষ প্রতিনিধি, সংবাদ২৪.নেট, ঢাকা: অাসন্ন গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম তার উন্নয়নের মহপরিকল্পনা তুলে ধরেছেন।

 
গাজীপুর মহানগর ইমাম সমিতি ও বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনসহ গাজীপুর মহানগরের ৩২টি সংগঠন এর প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মানবতার জননী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিশ্বের মডেল সিটি হবে গাজীপুর সিটি করপোরেশন। তৈরী পোশাক, ওষুধ বা অন্যান্য শিল্প কারখানার কারণে বিশ্বে গাজীপুর সিটি করপোরেশন একটি পরিচিত নাম। টঙ্গীর ‘বিশ্ব ইজতেমা’ মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় সমাবেশ। উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে বিশ্বে বাংলাদেশ ব্যাপক আলোচিত এবং সমিহ জাগানিয়া একটি নাম।

 
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বিশেষ করে বঙ্গবন্ধু কণ্যা মানবতার জননী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন এই বাংলাদেশ। উন্নত এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে আলাদা আলাদা ভাবে দেশের প্রতিটি জনপদকেই উন্নত করার উদ্যোগ নিতে হবে। সরকারী পরিকল্পনা এবং পদক্ষেপ বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসনই মুখ্য ভূমিকা পালন করবে। সরকার, দাতা সংস্থা, স্থানীয় প্রতিনিধি এবং জনসাধারনের মূল্যবান পরামর্শ ও দিকনির্দেশণায় অদূর ভবিষ্যতে একটাই লক্ষ্য বর্তমান সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার সাথে তাল মিলিয়ে গাজীপুর সিটিকে এগিয়ে নেওয়া। বিশ্বের কয়েকটি উন্নত নগর পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ হয়েছে। একটি উন্নত নগরের বাসিন্দারা যেসব সুযোগ সুবিধা ভোগ করে যেমন- বস্ত্র, কর্মসংস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পানি সরবরাহ-পানি নিষ্কাশন, পয়ো নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বিদ্যুৎ-জ্বালানী, নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, পরিকল্পিত আবাসিক নগরায়ণ, পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলা, রাজধানীসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন, বর্হিবিশ্বের সাথে যোগাযোগ স্থাপন, দেশ বিদেশের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যম হিসাবে ডিজিটাল পদ্ধতির উন্নতি, সিটি করপোরেশনের সকল কর্মকান্ড ডিজিটাল পদ্ধিতে নিয়ে আসা, সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য লালন পালন, মানুষের বাক স্বাধীনতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, সাম্প্রদায়িক সম্পৃতি বজায় রাখা উল্লেখযোগ্য। পক্ষান্তরে এসব সেবাসমুহ নিশ্চিত করার জন্য আর্থিক সক্ষমতা অর্জন করাও গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিটি করপোরেশনের আর্থিক সক্ষমতা অর্জনের লক্ষে বিশেষ গুরুত্বারুপ করেছেন। সেজন্য সিটি করপোরেশনের বাসিন্দাদের ট্যাক্সের আওতায় আনা, প্রতি ওয়ার্ডে কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ, শিল্পকারখানার ট্যাক্স নির্ধারন, সিটি করপোরেশনে প্রতিটি জোনে বিপণী-বিতান ও ভবন নির্মাণ জরুরী। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৩২৯ বর্গকিলোমিটার আয়তনের বিশাল ভূ-ভাগ অত্যন্ত উর্বর। গাজীপুরের ঐতিহ্য ভাওয়াল গড়। জনসংখ্যার চাপে ভাওয়াল গড়ের আয়তন কমলেও তা এখনো টিকে আছে।

 

 

উদীয়মাণ এই তরুণ নেতা বলেন, গাজীপুরে অবস্থিত ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্ক ও এর আশপাশের বির্স্তিণ গজারী বনের সবুজ বনানী ক্লান্ত পথিককে সুশিতল ছায়ার প্রশান্তি দেয়। গাজীপুরে আট হাজার একর আয়তনের বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্ক পৃথিবীর জীব-বৈচিত্র রক্ষায় অনন্য অবদান রাখবে বলেই বিশ্বাস। নদ-নদী বেষ্টিত, প্রাকৃতিকভাবে বন্যামুক্ত। প্রায় দশ লক্ষাধিক কর্মমুখি বিপুল জনগোষ্ঠি আদর্শ গাজীপুর সিটির প্রধান সম্পদ। দেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় সারা দেশের সাথে যোগাযোগের সুবিধা রয়েছে। রেল, সড়ক, নদী বা বিমান সবকিছুতেই সহজলভ্য যোগাযোগ। গাজীপুর ইতমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ’৪১ উন্নয়ন বলয়ে প্রবেশ করেছে। উন্নত হচ্ছে সড়ক ও রেল যোগাযোগ। প্রতিদিনই শিল্পায়ন হচ্ছে। শিল্পায়ন মানেই কর্মসংস্থান। বিশ্ব ব্যাংকের এক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, বর্তমানে বাংলাদেশের জেলা গুলোর মধ্যে গাজীপুরেই সবচেয়ে বেশী কর্মসংস্থান হয়।

 

 

গাজীপুর সিটি করপোরেশন উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা গ্রহন ও বাস্তবায়ন সময়ের দাবি উল্লেখ করে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যেমন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। তেমনি দেশের অভ্যন্তরে গাজীপুর সিটি করপোরেশন হবে উন্নয়নের রোল মডেল। একটি আদর্শ এবং মডেল সিটি করপোরেশন গড়ে তুলতে উন্নয়ন মহা পরিকল্পনা সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরছি।

 

 

শিক্ষা উন্নয়ন ও পৃষ্ঠপোষকতায় বিশেষ অবদান রাখা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম শিক্ষা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, গাজীপুরে প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সব স্তরের শিক্ষার সুযোগ আছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার এখানে সরকারি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ, কারিগরি বিদ্যালয়, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করেছেন। সময়ের সাথে সব কিছু আধুনিকায়ন এবং বিশ্বমানের হবে।

 

 
স্বাস্থ্য প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, প্রতি ওয়ার্ডে সরকারি কমিউনিটি ক্লিনিক, প্রতি থানায় হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ আছে। আধুনিকায়ন এবং সেবার মান বৃদ্ধি করতে হবে।

 

 

আবাসিক নগরী প্রসঙ্গে অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, প্রথম কাজ হচ্ছে অপরিকল্পিত বাসস্থান নির্মাণ বন্ধ করা। প্রতিটি জোনে আবাসিক এলাকা থাকবে। একই নকশা, উচ্চতা এবং আয়তনের ভবন নির্মাণ হবে। উত্তরা হাউজিং প্রকল্পোর আদলে। এতে অল্প পরিসরে অধিক জনসংখ্যার নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করা যাবে।

 

 
যোগাযোগ প্রসঙ্গে বলেন, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ও রেলপথ কেন্দ্র করে সিটির আভ্যন্তরীণ যোগাযোগ গড়ে উঠবে। সিটির চারদিকে চক্রাকারে রাস্তা হবে। তুরাগ নদের তীর বরাবর রাস্তা, রেলপথের পার্শ্ব রাস্তা, এবং প্রতিটি ওয়ার্ডেও সাথে আভ্যন্তরীন যোগযোগ স্থাপন থাকবে। যানজটমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় ফ্লাইওভার, ইউলোপ, ভুগর্ভস্থ টানেল থাকবে। প্রতিটি রাস্তায় হাটা ফুটপাথ এবং শ্রমিকদের জন্য সাইকেল রাস্তা থাকবে।

 

 

 

গাজীপুরে পানি সরবরাহ এবং পানি নিষ্কাশন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, সিটি করপোরেশনের প্রতিটি বাড়ি, প্রতিষ্ঠান ও কারখানায় পানি সরবরাহ এবং পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। ড্রেনেজ ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন করা জরুরী। সিটি করপোরেশনের ভিতরে জলাধার সংরক্ষণ, নদ-নদী খাল সচল রাখা এবং পুকুর-ডুবা সংস্কার করে ব্যবহার উপযোগী করতে হবে।

 

 
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিশেষভাবে নজর দেয়া হবে উল্লেখ করে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, তিন স্তরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা থাকবে। একটি স্থায়ী প্রধান ডাম্পিং স্টেশন। সেখান থেকে বায়ু গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। প্রতি জোনে অন্তত একটি স্থায়ী সেকেন্ডারী ডাম্পিং স্টেশন হবে। প্রতি ওয়ার্ডে বর্জ্য ফেলার জন্য একাধিক স্থান নির্ধারিত থাকবে। ভোর হওয়ার পূর্বেই বর্জ্য প্রধান ডাম্পিং স্টেশনে স্থানান্তর করতে হবে।

 

 
শিল্প জোন প্রসঙ্গে অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, সিটির টঙ্গী ও জয়দেব পুরে ইতমধ্যেই শিল্পাঞ্চল আছে। বাকি তিন জোনে পরিকল্পিত শিল্প জোন করা হবে। টঙ্গী ও কোনাবাড়ি বিসিকের মত প্রতিটি জোনেই ক্ষুদ্র শিল্পের আলাদা জোন থাকবে। পুবাইল হবে হলিউড, বলিউড বা এফডিসির মত বিনোদন জগৎ।

 

 
কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, সিটি করপোরেশনের আলাদা জব ব্যাংক গড়ে তোলা হবে। সিটির অভ্যন্তরে সমস্ত সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা কর্মচারিদের ডাটা সংরক্ষণ করা হবে। একইসাথে চাকুরী প্রত্যাসীদেরও আলাদা ব্যাংক থাকবে। কর্ম খালি বা পদ সৃষ্টি হলেই উপযুক্তকে নিয়োগের প্রকৃয়ায় আনা হবে। চাকুরির জন্য কারও দারস্থ হতে হবে না।

 

 
সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র গাজীপুর প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, বঙ্গবন্ধু কণ্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে পৃষ্ঠপোষকতায় অকৃপণভাবে অবদান রেখে যাচ্ছেন। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হলে আমিও সেই নীতি অনুকরন করবো। সৃজনশীল মানুষদের পাশে থাকবে এবং জাতীয়ভাবে স্বীকৃতদের জন্য নিয়মিত ভাতার ব্যবস্থা করবে।

 

 
এছাড়াও শিক্ষা উন্নয়ন ও পৃষ্ঠপোষকতায় অবদান রাখার জন্য তিনি ইতোমধ্যেই গঠন করেছেন জাহাঙ্গীর আলম শিক্ষা ফাউন্ডেশন। যার প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান তিনি নিজেই। প্রতিষ্ঠানটি গাজীপুর তথা দেশের মেধাবী ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের নগদ আর্থিক সহায়তা, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, যানবাহন, শিক্ষা উপকরণ দিয়ে সহায়তা করে থাকে।

 

 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক যোগযোগ ও সেতুমন্ত্রী মো. ওবায়দুল কাদের ৫০ হাজার শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে বিশাল মহাসমাবেশের মাধ্যমে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম শুভসূচনা করেন। বর্তমানে ফাউন্ডেশন থেকে ৫৫০জন শিক্ষার্থীর উচ্চ শিক্ষার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার বহন করা হয়।

 

 

এছাড়াও উদীয়মাণ তরুণ নেতা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জেলার কাজী আজিমউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, গাজীপুর ল’কলেজ, এমআইএসটি, শাহসূফি ফছি উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় এবং কানাইয়া দাখিল মাদ্রাসা’র গর্ভনিং কমিটির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

 

তিনি গাজীপুর মহানগর কেজি স্কুল এসোসিয়েশন (নিন্ম মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক), খালেক স্মৃতি শিক্ষা ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা। গাজীপুর মহানগরে ৪৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আজীবন দাতা সদস্য। ধীরাশ্রম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আজীবন দাতা সদস্য।

 

 

তিনি গাজীপুর জেলা ক্রিড়া সংস্থার সাবেক সহ-সভাপতি। বাংলাদেশ অনলাইন মিডিয়া এসোসিয়েশন(বিওএমএ) এর সিনিয়র সহ-সভাপতি।

 

 

এর আগে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুর সদর ও টঙ্গী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।

 

 

প্রায় ১০ লক্ষাধিকেরও বেশী ভোটের ব্যবধানে তিনি বিজয়ী হন। তিনি পরপর তিন বার ভাওয়াল বদরে আলম সরকারী কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি ছিলেন। গাজীপুর জেলা সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের সাবেক সভাপতি।

 

 
ব্যবসায়ী হিসাবে জাহাঙ্গীর আলম অত্যন্ত সফলতার সাক্ষর রেখেছেন। তিনি অনারেবল টেক্সটাইল এন্ড কম্পোজিট লিমিটেড’ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তাছাড়া জেড আলম অ্যাপারেলস প্রতিষ্ঠানর মাধ্যমে দীর্ঘ ২২ বছর যাবৎ অত্যন্ত সুনামের সাথে দেশের বাজারে ও বিদেশে তৈরী পোশাক ক্রয়-বিক্রয় করে।

 

 

তিনি নিয়মিত আয়কর প্রদানকারী বলেও জানান এই নেতা।

 

 

জানা গেছে, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের ৩৪তম জন্মদিনে খোদ প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজ মুখে ঘোষণার মাধ্যমে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন।

 

 

 

এক নজরে

নাম : মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম
পিতার নাম : মোঃ মিজানুর রহমান
মাতার নাম : মোসা. জায়েদা খাতুন
স্থায়ী ঠিকানা : কানাইয়া, ওয়ার্ড-৩০, জয়দেবপুর, গাজীপুর মহানগর।
জন্ম তারিখ : ৭ মে ১৯৭৯ খ্রীষ্টাব্দ।
বৈবাহিক অবস্থা : বিবাহিত
ধর্ম : ইসলাম
বর্ণ : সুন্নি
জাতীয়তা : জন্মসূত্রে বাংলাদেশী

Facebook Comments

এ সংক্রান্ত আরো খবর




সম্পাদক: আরিফা রহমান

২৮/এফ ট্রয়োনবী সার্কুলার রোড, ৫ম তলা, মতিঝিল, ঢাকা।
সর্বক্ষণিক যোগাযোগ: ০১৭১১-০২৪২৩৩
ই-মেইল ॥ sangbad24.net@gmail.com
© 2016 allrights reserved to Sangbad24.Net | Desing & Development BY Popular-IT.Com, Server Manneged BY PopularServer.Com