ads

আনিসুল হকের স্ত্রী রুবানা মেয়র প্রার্থী হতে আগ্রহী!

রুবানা

নিজস্ব প্রতিবেদক, সংবাদ২৪.নেট, ঢাকা: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হকের মৃত্যুতে শূন্য পদে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।

 

 

এ প্রসঙ্গে ইসির সহকারী সচিব রাজীব আহসান জানিয়েছেন, ৩০ নভেম্বর থেকে ৯০ দিন, অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ঢাকা উত্তরের মেয়র পদে উপ নির্বাচন দিতে হবে। সুষ্ঠ নির্বাচনের সব প্রস্তুতি নিয়ে অন্তত ৪৫ দিন হাতে রেখে তফসিল ঘোষণা করবে কমিশন।

 

 

আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদপূর্তির শেষ সময়ে ডিএনসিসির মেয়র নির্বাচন হয়ে ওঠতে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের জন্য একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগাম শোডাউন। বিশ্লেষকদের ধারণা, এ উপনির্বাচন কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে।

 

 

এদিকে আনিসুল হকের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া মেয়র পদে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন কে পাচ্ছেন তা নিয়ে এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে জল্পনা-কল্পনা।

 

 

প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের প্রার্থী হিসেবে গত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ঢাকা উত্তরের মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছিলেন আনিসুল হক। তবে গত নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে আগ্রহী ছিলেন র্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী এবং ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম রহমতউল্লাহ। তাদের মনোনয়ন না দিয়ে দলের বাইরে থেকে ব্যবসায়ি আনিসুল হককে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দিয়ে রাজনীতিতে চমক সৃষ্টি করেছিলেন শেখ হাসিনা।

 

 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশের শূন্য হওয়া মেয়র পদে নির্বাচন করতে মনোনয়ন দৌড়ে এবারও আছেন মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া ও একেএম রহমতউল্লাহ। তবে দলীয় মনোনয়নের টিকিট কে পাবেন তা নির্ভর করছে দলীয় সভানেত্রীর সিদ্ধান্তের উপর। ক্ষমতাসীন দলের একটি সুত্র জানিয়েছে, এ নির্বাচনে আনিসুল হকের স্ত্রী রুবানা হককে মনোনয়ন দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আনিসুল হকের স্ত্রীর পরিচয়ের বাইরে তিনি আলাদাভাবে নিজের ভাবমূর্তি তৈরি করেছেন। কাজেই যোগ্য প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী তার হাতেই মনোনয়নের টিকিট দিতে পারেন।

 

 

প্রায়ত মেয়র আনিসুল হকের পারিবারিক একটি সূত্র জানিয়েছে, স্বামীর অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করতেই রুবানা হক মেয়র প্রাথী হবেন । এরই মধ্যে তিনি বিষয়টি নিয়ে ঘরোয়াভাবে কথাবার্তাও বলেছেন এবং প্রার্থী হওয়ার ইংগিত দিয়েছেন।

 

 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২০১৫’র নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপির পছন্দের প্রার্থী ছিলেন আবদুল আউয়াল মিন্টু। সঙ্গে তার ছেলেও মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছিলেন। মিন্টুর মনোনয়ন বাতিল হয়ে গেলে তার ছেলে তাবিথ আউয়াল বিএনপির প্রার্থী হন। তবে নির্বাচনের দিন ভোট গ্রহণের মাত্র তিনঘণ্টা পর কারচুপির প্রতিবাদে সরে দাঁড়ান তাবিথ। তবে এবার মিন্টু পরিবারের কাউকে বিএনপি মনোনয়ন দেয় কিনা তা নিয়ে সংশয় আছে। কারণসম্পতি বিশ্বব্যাপী আলোড়ন তোলা প্যারাডাইস পেপার্স কেলেঙ্কারিতে নাম এসেছে মিন্টু পরিবারের। যার মধ্যে রয়েছে আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও তাবিথ আওয়ালও। এক্ষেত্রে বিএনপির মেয়র প্রার্থী হতে পারেন দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক ডেপুটি মেয়র আব্দুস সালাম। পাশাপাশি ঢাকা মহানগর বিএনপির উত্তরের সভাপতি ও বিভিন্ন মামলায় মালয়েশিয়ায় পলাতক এমএ কাইয়ুমের (কমিশনার কাইয়ুম) নামও আলোচনায় আছে।

 

 

২০১৫ সালে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে ভোটযুদ্ধে নামার সুযোগ ছিল না। এবার দলীয় প্রতীক নিয়েই ঢাকা উত্তরের ভোটের লড়াই হবে। এ উপনির্বাচন আগামী জাতীয় নির্বাচনের মহড়া হয়ে ওঠতে পারে বলে ধারণা করছেন অনেকে।

Facebook Comments

এ সংক্রান্ত আরো খবর




সম্পাদক: আরিফা রহমান

২৮/এফ ট্রয়োনবী সার্কুলার রোড, ৫ম তলা, মতিঝিল, ঢাকা।
সর্বক্ষণিক যোগাযোগ: ০১৭১১-০২৪২৩৩
ই-মেইল ॥ sangbad24.net@gmail.com
© 2016 allrights reserved to Sangbad24.Net | Desing & Development BY Popular-IT.Com, Server Manneged BY PopularServer.Com