ads

‘শিক্ষার্থী জীবনে দোয়া ও দান’

শিক্ষার্থী

সংবাদ২৪.নেট ডেস্ক : মানুষের সহজাত প্রবণতাই হলো এক উচ্চতর সত্তার কাছে নিজের হীনতা ও ক্ষুদ্রতার কথা ব্যক্ত করে তাকে ফরিয়াদ শ্রবণকারী ভেবে তার সাহায্য ও সহায়তা প্রার্থনা করা।

সফলতার জন্যে কর্মপ্রচেষ্টার সাথে সাথে দোয়া বা প্রার্থনা নিশ্চিতভাবেই আমাদের চাওয়া ও প্রতিজ্ঞাকে সফল করে তুলতে সহায়তা করে। দোয়াটা সবসময় কর্মমুখী হতে হয়। শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সঠিক নিয়মে পড়াশোনা করাটা হলো দাওয়া।

দোয়া বা প্রার্থনার ধারণা অতি প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে এবং আদর্শ ও বাস্তব উভয় দিক দিয়েই এটি যথারীতি মানব সমাজে টিকে রয়েছে। বেঞ্জামিন ফ্রাংকলিন, সক্রেটিস, জাবির বিন হাইয়ান, ইবনে সিনা, আলবিরুনী, ইমাম গাজ্জালী, ইমাম রাজী প্রমুখ দার্শনিক ও বিজ্ঞানীরা সবসময় খোদায়ী তওফিক কামনাকে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিবেচনা করতেন।

নিজেরা নিজের জন্যে নীরবে প্রার্থনা হচ্ছে সর্বোত্তম। এর পাশাপাশি সদকা অকল্যাণ হতে দূরে রাখে আর সাফল্যকে আরও কাছে টেনে আনে। তবে একটি সতর্কতা হলো যে, কর্মহীনতা, গীবত, পরনিন্দা, পরচর্চা-এগুলোর কারণে দোয়া কবুল হয় না।

দোয়া শুধু বিপদের সময় নয়, হতে হবে সবসময়। শিক্ষার্থী অবস্থায় নিমগ্ন পড়াশুনা, রেজাল্ট ঘোষণা, খাতা দেয়া, পরীক্ষার আগে ও পরে, টিচারের সাথে সুসম্পর্ক-এ ধরনের নানা ঘটনার প্রেক্ষিতে আমরা দোয়া করতে পারি। কাজের শুরুতে দোয়া এবং সবসময় স্রষ্টার স্মরণ জারি রাখতে পারি।

যে নিজে নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের চেষ্টা করে স্রষ্টা তাকেই সাহায্য করেন। তাই নিজে নিজের জন্যে দোয়া করার কোনো বিকল্প নেই। সৃষ্টির সেবায়, অনাথ, এতিম, দুস্থ, বঞ্চিত মানুষের সেবায় ব্যয়, নীরব দান অফুরন্ত কল্যাণ বয়ে আনে। কারণ স্রষ্টাই বলেছেন এরকম দানে তিনি কমপক্ষে ৭০০ গুণ প্রবৃদ্ধি দেবেন। এতিমের মাথার ওপর যার হাত, তার মাথার ওপর স্রষ্টার হাত মানে তাঁর দয়া ও করুণা থাকে।

প্রতিদানে স্রষ্টার কাছ থেকেও আমরা অকল্যাণ দূর করার এবং কোনো ভালো নিয়ত করলে তা সফল করার প্রত্যাশা করতে পারি।

Facebook Comments

এ সংক্রান্ত আরো খবর




সম্পাদক: আরিফা রহমান

২৮/এফ ট্রয়োনবী সার্কুলার রোড, ৫ম তলা, মতিঝিল, ঢাকা।
সর্বক্ষণিক যোগাযোগ: ০১৭১১-০২৪২৩৩
ই-মেইল ॥ sangbad24.net@gmail.com
© 2016 allrights reserved to Sangbad24.Net | Desing & Development BY PopularITLtd.Com, Server Manneged BY PopularServer.Com