ads

শিশুর শ্রবণশক্তির ক্ষতি হয় হেডফোনে

হেডফোন

সংবাদ২৪.নেট ডেস্ক: হেডফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারে ছোট শিশুদের হিয়ারিং লস বা শ্রবণশক্তি হ্রাস পেতে পারে। নিউ ইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় প্রকাশিত এক রিপোর্টে এমনটাই উল্লেখ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে বাবা-মা বা অভিভাবকদের সচেতনতা প্রয়োজন। কেননা অনেক সময় শিশুর স্মার্টনেস বোঝানোর জন্যে বাবা-মা নিজেরাই শিশুকে হেডফোন কিনে দেন।

গবেষকরা জানান, বিভিন্ন ধরনের হেডফোন পরীক্ষা করে দেখা যায়, এসব হেডফোন থেকে যে পরিমাণ শব্দ তরঙ্গায়িত হবার কথা তার চেয়ে অধিক শব্দ শিশুদের কানের পর্দায় আঘাত করে। ফলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে শ্রবণশক্তি হ্রাস পেতে থাকে। এ ব্যাপারে গবেষকরা বলেন, এমনও হেডফোন রয়েছে; যার শব্দমাত্রা এতটাই ভয়াবহ যে, মুহূর্তের মধ্যেই এসব হেডফোন শিশুর শ্রবণশক্তি হ্রাস করতে পারে।

টরন্টোর হসপিটাল ফর সিক চিলড্রেন-এর চিফ অটোল্যারিঙ্গোলজিস্ট ড. ব্লেক প্যাপসিন মনে করেন, হেডফোনের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে প্রকাশিত গবেষণা রিপোর্টটি বাবা-মা অভিভাবকদের জন্যে ওয়েক-আপ কল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, যাতে তারা তাদের সন্তানদের হেডফোন ব্যবহারজনিত শব্দ সমস্যা থেকে রক্ষা করতে তৎপর হন।

রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, ৮-১২ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের প্রায় অর্ধেকেই কানে হেডফোন ব্যবহার করে কোনো না কোনো মিউজিক শুনে থাকে। তাই শিশুদের এসব ক্ষতিকর হেডফোন ব্যবহার থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তারা। এ-ছাড়া ছোট শিশুদের মস্তিষ্কে রেডিয়েশনজনিত ক্ষতি বেশি হয়। তাই মোবাইল ফোন থেকেও তাদের দূরে রাখার পরামর্শ দেন গবেষকরা।

বড়দের জন্যেও হেডফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার বিপদ ডেকে আনতে পারে। গবেষকরা জানান, ৮৫ ডেসিবেলের বেশি শব্দ শ্রবণশক্তির ওপর প্রভাব ফেলে। যখন কেউ উচ্চমাত্রার শব্দ শোনে তখন তার কানের ভেতরে থাকা পাতলা চুলের মতো কাঠামো (এটি মস্তিষ্কে সঙ্কেতও পাঠায়) ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তাদের বাইরের অংশ উন্মুক্ত হয়ে পড়ে। ফলে শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

Facebook Comments

এ সংক্রান্ত আরো খবর




সম্পাদক: আরিফা রহমান

২৮/এফ ট্রয়োনবী সার্কুলার রোড, ৫ম তলা, মতিঝিল, ঢাকা।
সর্বক্ষণিক যোগাযোগ: ০১৭১১-০২৪২৩৩
ই-মেইল ॥ sangbad24.net@gmail.com
© 2016 allrights reserved to Sangbad24.Net | Desing & Development BY Popular-IT.Com, Server Manneged BY PopularServer.Com