ads

মহামান্য প্রেসিডেন্ট, ইতিহাস হয়ে উঠুন

রাষ্ট্রপতি

মাসুদ মজুমদার

আদালতের নির্দেশনা যাই হোক, জেলা পরিষদ নির্বাচন জাতীয় ও স্থানীয় রাজনীতিতে কোনো ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে না। সেই তুলনায় নারায়ণগঞ্জ অনেক বেশি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। জেলা পরিষদ এক দিকে গুরুত্বহীন স্থানীয় সরকারব্যবস্থার প্রশাসনিক স্তর। অপর দিকে, কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ রাখা হয়নি। ভোট দেবেন ইলেকটোরাল বডি, মানে গ্রাম ইউনিয়নসহ স্থানীয়ভাবে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা। জনগণের কাছে ‘বেসিক ডেমোক্র্যাসি’র এই নতুন সংস্করণের কোনো আবেদন নেই। এর সাথে পাকিস্তানি ভূত ও আইয়ুবি প্রেতাত্মার মিল থাকার কারণে কেউ কান খাড়া করার প্রয়োজনও বোধ করেননি। সবাই জানেন, এটি হবে স্থানীয়ভাবে সরকারি দলের মধ্যম সারির নেতাদের পুনর্বাসন ব্যবস্থা। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে জেলা পরিষদকেও গণতান্ত্রিক প্রাতিষ্ঠানিকতায় এনে দাঁড় করানো যেত। সরকার সেই পথ মাড়ায়নি। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও আস্থার সঙ্কটের ঘেরাটোপে আশাবাদকে ফিকে করে দিয়েছে। নির্বাচনের মাঠ সমতল, অর্থাৎ সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন ব্যর্থ হয়েছে। এটি সরকার পরিবর্তনের নির্বাচন না হলেও বিরোধী দল অংশ নিয়ে যে আশাবাদ সৃষ্টি করেছিল- সেটা কতটা টিকে রইল, আজ দিনের মধ্যভাগেই ফয়সালা হয়ে যাবে। আইভী জিতলেন, না সাখাওয়াত হারলেন, তার চেয়েও বড় কথা গণতান্ত্রিক ধারা জিতল কি না। নির্বাচন কমিশন অতীতের গ্লানি ও কালিমা কতটা ঘুচাতে পারল- সেই পরীক্ষাই মুখ্য। এ ব্যাপারে মন্তব্য একটাই, কয়লা ধুলেও ময়লা যায় না। খাসলত যায় না মরলেও। এই প্রবচন রাজনীতিবিদ ও রাজনীতির শ্রেণিচরিত্রেও ব্যতিক্রম হয় না।

এখন আশা-ভরসার জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে ‘বঙ্গভবন’। আমাদের সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্রের প্রজারা যেমন বাস্তবে অপাঙ্ক্তেয়, রাষ্ট্রপতিও ক্ষমতাচর্চার বিচারে শুধুই আনুষ্ঠানিকতার পাত্র। ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী এবং সরকারের প্রধান নির্বাহী এখনো এক ও অবিভাজ্য। তাই দল ও প্রধান নির্বাহীর ইচ্ছার বাইরে প্রেসিডেন্ট বাস্তবে যেতে পারেন না। এরপরও তিনি রাষ্ট্রপ্রধান। প্রজাতন্ত্রের অভিভাবক। দৃশ্যত জাতির ঐক্যের প্রতীক। ক্রান্তিকালে শেষ ভরসাস্থল। তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থায় প্রেসিডেন্ট ছিলেন ‘ট্রানজিশনাল প্রিরিয়ডে’ অত্যন্ত ক্ষমতাধর। যেকোনো শূন্যতা পূরণে তিনি হয়ে উঠতে পারতেন রাষ্ট্রের কার্যকর অভিভাবক। এখন তা-ও নেই। তবে রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে প্রেসিডেন্টের মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালনের একটি জায়গা এখনো অক্ষত রয়েছে। সেটা প্রেসিডেন্টের দলীয় চিন্তার ঊর্ধ্বে উঠে ইচ্ছাশক্তি ও ব্যক্তিত্বনির্ভর। তবে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তার ঘনঘোর অন্ধকারের মধ্যে জাতি যখন হতাশায় নিমজ্জিত হলো, ভারতীয়দের কলকাঠি নাড়ার বিষয়টি যখন সুজাতা সিং স্পষ্ট করে দিলেন, এরশাদ-রওশন যখন ফাউল খেলেও কিছু তিক্ত সত্য উচ্চারণ করে ক্ষান্ত হলেন না, অদৃশ্য নাটকের কুশীলবদের চিহ্নিত করে ওপরের দিকে থু থু ছিটিয়ে নিজেদের গায়ে মাখলেন। দুর্ভাগ্য, তখনো এ দেশের প্রেসিডেন্ট চুপ ছিলেন। সঙ্কট উত্তরণের লক্ষ্যে উদ্যোগী হলেন না। দেশের বুদ্ধিজীবী ও প্রজ্ঞাবান রাজনীতিবিদেরা প্রেসিডেন্টের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলেন নির্বাচন পেছানোর জন্য। কিভাবে সেটা সম্ভব ছিল, সে ব্যাপারে সাংবিধানিক অপশন এবং নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারও তারা তুলে ধরেছিলেন। প্রেসিডেন্ট তার ‘গুডবুক’ ব্যবহার করে একটু উদ্যোগ নিলে পরিস্থিতি পাল্টে যেত। বিএনপি জোট নির্বাচন কমিশন প্রশ্নে আগেও প্রেসিডেন্টকে সহযোগিতা করেছে। খালেদা জিয়া ইসি ইস্যুতে বঙ্গভবনে গেছেন। আস্থার সঙ্কট ও সম্পর্কের চির ধরেছে একতরফা নির্বাচনের কারণে। খালেদা জিয়া হার্ডলাইনে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন প্রেসিডেন্টের কাছেও প্রতিবিধান না পেয়ে। আস্থার সঙ্কট ও ভারতীয় উসকানি না থাকলে আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আজকের অতলগহ্বরে হাবুডুবু খাওয়ার মতো অবস্থায় পড়ে যেত না। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি যে কলঙ্কের ইতিহাস জাতির কপালে এঁকে দিলো- তা কোনো দিন সম্ভব হতো না। নির্বাচনের নামে যে বাড়াবাড়ি ও লোক হাসানো কাণ্ড ঘটল, তাও হতো না। বিশ্বের তাবৎ মানুষের কাছে এই সরকারের বৈধতার প্রশ্নটি এতই বিব্রতকর ও লজ্জাজনক অবস্থায় নিয়ে ঠেকাত না। জোড়াতালির আইনের বিচারে সরকার দায়িত্ব পালনের বৈধতা পেয়েছে। কিন্তু জনগণের সম্মতি ও গণতন্ত্রের মানদণ্ডে বৈধতা পায়নি। সেই বৈধতা দেয়নি আন্তর্জাতিক বিশ্বও। বিভিন্ন রাষ্ট্রের সাথে কূটনৈতিক লেনদেন বৈধতার সনদ নয়, শিষ্টাচার। সে সময় বিএনপি-জামায়াতের কর্মসূচিতে সহিংসতার আমদানিকে হঠকারিতা বলা সহজ। সেটা আলাদা বিচার-বিশ্লেষণ ও মূল্যায়নের বিষয়। কিন্তু সরকারের পুলিশ অ্যাকশন এবং বাড়াবাড়িও বিবেচনার বাইরে রাখা সম্ভব নয়।

সেই কালো স্মৃতি তর্পণ করলে বঙ্গভবনের দিকে তাকিয়ে ভরসা পাই না। তারপরও যে ক্ষীণ আশা জন্ম নিয়েছে- সেটা যেন টিকে যায়, সেই ভরসা রাখতে চাই। সেই দিনও প্রেসিডেন্টের কিছু গুণগত অর্জন ছাড়া কোনো কিছুই হারানোর ছিল না, আজো নেই। জাতির সামনে রাজনৈতিক নেতৃত্বের পরীক্ষা প্রতিদিন দিতে হয় না। কালেভদ্রে এক-দুইবার সেই পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ আসে। কারো জীবনে আসেও না। বর্তমান প্রেসিডেন্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অভিজ্ঞতা ও প্রেরণা হিসেবে সামনে রাখতে পারেন। ৭ মার্চ একবারই এসেছিল। ইন্দিরা গান্ধীর প্রতি কৃতজ্ঞতাবোধ রেখেও ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারের জোরালো দাবির প্রশ্নটি একবারই উঠেছিল। ভারতীয় ডিকটেশন বা পরামর্শ উপেক্ষা করে ওআইসিতে যাওয়ার গরজ বোধ করা তাৎক্ষণিক চাহিদা ছিল। মুক্তিযোদ্ধা শব্দসৈনিক, জাতীয় অধ্যাপক ও শিক্ষাবিদ, কবি এবং বাংলা গদ্যের নান্দনিক ধারার অনন্য পুরুষ সৈয়দ আলী আহসানকে নিয়ে নানা মত থাকা সম্ভব; কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে তিনি যে বইটি লিখেছেন, সেটার অবমূল্যায়ন সম্ভব নয়। নাম ‘সময় যখন এলো’। তিনি বুঝিয়েছেন তার জীবনে অনেক ঘটনাবহুল স্মৃতি রয়েছে। কিন্তু সব সময় সব কিছুতে সময়মতো সাড়া দিয়েছেন, এমনটি তিনিও মনে করেন না। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি সঠিক সময় সঠিক কাজটি করতে পেরেছিলেন। স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রে তিনি হয়ে উঠেছিলেন এই জাতির একজন মুখপাত্র। যেমনটি বিচারপতি সিদ্দিকীর জীবনে একবারই দৃঢ়তা প্রদর্শনের সুযোগ এসেছিল। একই ধরনের সুযোগের সদ্ব্যবহার করেছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
যতই আমরা ‘অখ্যাত’ মেজর বলি, আর নানা অভিযোগে অভিযুক্ত করি, জিয়া মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা কার পক্ষে দিয়েছেন সেটা হয়তো গৌণ নয়, কিন্তু ঘোষণাটা তিনি নিজ নামে স্বকণ্ঠে দিয়েছেন, সেটা ছিল ‘জিয়া’ হয়ে ওঠার মোক্ষম সময়। মুক্তি আন্দোলনের তূর্য বাদক কয়েকজন হতে পারেন- কারো অবদান অস্বীকার করা যায় না। কিন্তু ৭ মার্চ একজনকেই সামনে ঠেলে দিয়েছে। সেই রাজনৈতিক কাব্যের রচয়িতা নেপথ্যে যারাই থাকুন, মঞ্চে বঙ্গবন্ধুই সময়ের দাবি পূরণ করলেন।

আবুল ফজল সময়মতো বঙ্গবন্ধুকে যেমন একটা পরামর্শ দিয়েই আলোচনায় থেকে গেলেন, তেমনি আবুল মনসুর আহমদও স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন বেশি দামে কেনা স্বাধীনতা যেন কম দামে বিক্রি করা না হয়। মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশও বঙ্গবন্ধুকে মসজিদ মক্তব মাদরাসা নিয়ে সময়মতো সঠিক পরামর্শ দিয়ে সময়ের দায়িত্ব পালন করেছেন।

পৃথিবীর ইতিহাসে ম্যান্ডেলা প্রতিদিন জন্ম নেন না। সবাই ম্যান্ডেলা হন না। বঙ্গবন্ধুকে আমরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পেয়েছি। প্রেসিডেন্ট হিসেবে পেয়েছি। দলের নেতা হিসেবে পেয়েছি। কোনোটাই তাৎপর্যহীন নয়, কিন্তু এর কোনোটির জন্য তিনি স্মরণীয়-বরণীয় নন। বরং এসব তাকে নিন্দুকের নিন্দাবাদের খোরাক বানিয়েছে। স্মরণে পড়ে, মওলানা ভাসানী, অলি আহাদ, আতাউর রহমান খান তো বটেই, তৎকালীন সব জাতীয় নেতা চেয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধোত্তর পরিস্থিতিতে একটি জাতীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত হোক। জাসদ নেতারাও এই দাবির পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। সবাই চেয়েছেন বঙ্গবন্ধু এর নেতৃত্ব দিন, তারপর তিনি নিয়মিত সরকার প্রতিষ্ঠা করে দিয়ে ক্ষমতার ঊর্ধ্বে উঠে যান। সেদিন তা করলে বঙ্গবন্ধু হতেন প্রাচ্যের ম্যান্ডেলা। গান্ধী বাপুজী হতে পারলেন ক্ষমতার ছোঁয়া গায়ে না লাগার কারণে। বড় নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ তা কিন্তু হতে পারলেন না ক্ষমতার স্পর্শের কারণেই।

আমাদের প্রেসিডেন্ট জাতীয় সংসদের সরব সদস্য ছিলেন। রাজনৈতিক বোধসম্পন্ন ও সুরসিক স্পিকার হয়েছেন। অবশেষে প্রেসিডেন্ট। এমন বর্ণাঢ্য ইতিহাস অনেকের আছে এবং থাকে। সময়ের দায়িত্ব সময়মতো পালন করে অনন্য হয়ে ওঠার সুযোগ সবার জীবনে আসে না। সব সময় আসে না। ২০১৪ সালের শুরুতে সুযোগ থাকার পরও বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ইতিহাস হয়ে ওঠার একটা সুযোগ নেননি বা নিতে পারেননি। আরেকটি সুযোগ এসেছে। একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে ধসে পড়া গণতন্ত্রকে ট্র্যাকে তোলার এই সুযোগ এখন তার সামনে এসেছে। যদিও নতুন সংসদ নির্বাচনের সময় নব্বই দিন এগিয়ে এনে যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রেসিডেন্টের ‘সন্ধিকালের’ দায়িত্ব পালনের সুযোগ কমেছে; কিন্তু শেষ হয়ে যায়নি। কিছু করতে চাইলে ঐকমত্যে নির্বাচন কমিশন গঠন সেই প্রক্রিয়ার শুরু। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে রচনার এটি প্রথম পদক্ষেপ। এ পদক্ষেপে তিনি আস্থার জায়গাটা ভরাট করে তুললে বাকি পথ চলা সহজ হয়ে উঠবে। বিরোধী দল প্রেসিডেন্টের ডাকে সাড়া দিয়েছে। তার এই সাড়া নন্দিত হয়েছে। বাকি পথ চলায় তিনি কতটা দৃঢ়তা দেখাবেন- তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে।

কামরুল হাসানের তুলিতে ইয়াহিয়া হিংস্র হায়েনা। এই দেশে গণহত্যার পুরো দায় তার। ভুট্টো তাকে ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ‘খেলেছেন’। এই বক্তব্য দিয়ে ইয়াহিয়ার অপরাধ আড়াল করা অন্যায়। ভুট্টো পাপের প্রায়শ্চিত্ত করুন। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ভুট্টোকে এই অভিশাপ দিয়েই যাবে। কিন্তু ইয়াহিয়ার মতো ঘাতকও সত্তরের নির্বাচনটা নিরপেক্ষ করতে চেয়েছিলেন। সবাই সাক্ষী দেবেন, সেই নির্বাচনে কোনো হস্তক্ষেপ ছিল না। আমরা ভোটের কর্মী ছিলাম। তখন জাল ভোটও পপুলার রিগিংয়ের ‘মর্যাদা’ পেয়েছে।
বিশ্বপরিস্থিতি পাল্টাচ্ছে। আঞ্চলিক রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের মধ্যেও কিছু গুণগত পরিবর্তন লক্ষণীয়। আমাদেরও শত্রু-বন্ধু চেনার সুযোগ বেড়েছে। রাজনীতিবিদেরাও দেখে এবং ঠেকে অনেক কিছু শিখেছেন। বিশ্ববাসীর কাছে আমাদের নির্বাচন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে আছে। বৈধতা বা লেজিটিমেসির সঙ্কট সরকারকে প্রতিনিয়ত হুল ফোটাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে অর্থনীতির সব খাতে। বিশ্বজোড়া কূটনীতির পাড়ায় আমাদের দাপট কমে গেছে। বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং সন্ত্রাসের নীরব ঘাতক সব কিছু গিলে খাচ্ছে। রেমিট্যান্স কমে যাওয়া, বিনিয়োগে বন্ধ্যত্ব, জনশক্তি রফতানিতে ভাটা ইত্যাদি কসমেটিক উন্নয়নের ডুগডুগির শব্দকে নৈশব্দের ভেতর বিলীন করে দিচ্ছে। মাননীয় প্রেসিডেন্ট, গণতন্ত্রের পথে এগোনোর লক্ষ্যে আপনার ভূমিকা পালনের সুযোগটা নিন, ইতিহাস হয়ে উঠুন।

masud2151@gmail.com

Facebook Comments

এ সংক্রান্ত আরো খবর




সম্পাদক: আরিফা রহমান

২৮/এফ ট্রয়োনবী সার্কুলার রোড, ৫ম তলা, মতিঝিল, ঢাকা।
সর্বক্ষণিক যোগাযোগ: ০১৭১১-০২৪২৩৩
ই-মেইল ॥ sangbad24.net@gmail.com
© 2016 allrights reserved to Sangbad24.Net | Desing & Development BY PopularITLtd.Com, Server Manneged BY PopularServer.Com